ব্লগারের একটি বিস্তৃত গাইড
✍️আমরা যদি দেখতে যাই প্রায় পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষ ব্লগার সম্পর্কে জানে ।
যদি রিসার্চ করি প্রতিদিন মানুষ ১০০ ভাগ এর মধ্যে ৯০ ভাগ মানুষ ব্লগার সম্পর্কে জানতে চায়। জীবন যাত্রার মান অনেক টাই বেড়ে গেছে এর মাধ্যমে ।
সব কিছুর ই যেমন ভালো দিক আছে তেমন খারাপ দিক ও আছে । আজ আমরা ব্লগ এবং ব্লগিং সম্পর্কে জানবো।
✏️ সবার আগে জানতে হবে ব্লগ কি?
উত্তর: ব্লগ হল এক ধরনের অনলাইন ব্যক্তিগত দিনলিপি বা ব্যক্তি কেন্দ্রিক পত্রিকা । ব্লগ শব্দটি ওয়েবব্লগের সংক্ষিপ্ত রূপ। যিনি ব্লগে পোস্ট করেন তাকে ব্লগার বলা হয় ।
একটি ব্লগ হলো লেখা, ছবি , অন্য ব্লগ , ওয়েব পৃষ্ঠা , এ বিষয়ের অন্য ওয়েব সাইটের লিংক ইত্যাদির সমাহার । বেশির ভাগ ব্লগ লেখা ভিত্তিক । ২০১৭ এর হিসাবে , ব্লগ খোঁজারু ইঞ্জিন টেকনোরাট্টি প্রায় বাইশ মিলিওনের ও বেশি ব্লগের হদিশ পেয়েছে ।
" ওয়েব্লগ " শব্দটি ১৭ ডিসেম্বর , ১৯৯৭ সালে জর্ন বার্গার দ্বারা উদ্ভাবিত হয়েছিল। সংক্ষিপ্ত রুপ ," ব্লগ" শব্দটি পিটার মেরহোলজ দ্বারা উদ্ভাবিত হয়েছিল, যিনি ১৯৯৯ সালের এপ্রিল বা মে মাসে তার ব্লগ Peterme. Com-এর সাইডবারে ওয়েব্লগ শব্দটি মজা করে ভেঙে " ওই ব্লগ " লিখেছিলেন। এর কিছু দিন পরে , পাইরা ল্যাবসের ইভান উইলিয়ামস " ব্লগ" শব্দকে বিশেষ্য এবং ক্রিয়া উভয় হিসাবে ব্যবহার করেন এবং " ব্লগার" শব্দটির উদ্ভাবন করেন, যেটি পরবর্তীতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন।
📖 এইবার ব্লগার সম্পর্কে জানবো :
✴️ব্লগার কি?
উত্তর : বর্তমানে এই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ব্লগ অর্থ বুঝায় ইন্টারনেটে ব্লগ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে লেখালেখি করা । যারা এই ব্লগে লেখালেখি করে এবং মেইনটেইন করে তাদের ব্লগার বলা হয় । ব্লগারের ব্লগ লেখার যে প্রক্সিয়া তাকে যৌথভাবে ব্লগিং বলা হয়। ব্লগিং বর্তমান সময়ের ইন্টারনেট নির্ভর একটি জনপ্রিয় পেশা।
ইতিহাস পাইরা ল্যাবস ১৯৯৯ সালের ২৩শে আগস্ট ব্লগার চালু করেন। এটিকে প্রথম ডেডিকেটেড ব্লগ - পাবলিশিং টুলগুলির মধ্যে একটি হিসাবে ফরম্যাটটিকে জনপ্রিয় করার কৃতিত্ব দেওয়া হয় । পাইরা ল্যাবস ২০০৩ সালের ফেক্সুয়ারি মাসে একটি অপ্রকাশিত অর্থের বিনিময়ে গুগল দ্বারা কেনা হয়েছিল।
গুগল ব্লগগুলো হোস্ট করে, যা blogspost.com- এর একটি সাবডোমেন মাধ্যমে প্রবেশ করা যেতে পারে । একজন ব্যবহারকারী একাউন্ট দিয়ে সর্বোচ্চ ১০০ টি ওয়েবসাইট বা ব্লগ খোলা যেতে পারে।
- ব্লগার কেন হবেন ?
উত্তর : এখনকার যুগ ইন্টারনেট এর যুগ । এই যুগে আমরা Social Network উপর নির্ভর তাই এই যুগে এখন সহজভাবে অনলাইনে অর্থ উপার্জন করে থাকে । বিভিন্ন ভাবে এখন টাকা উপার্জন করা যায় তার মধ্যে ব্লগিং অন্যতম। বিভিন্ন কনন্টেট তৈরি করে সহজেই টাকা উপার্জন করা যায়।
2. ব্লগার একাউন্ট কিভাবে খুলবো ?
উত্তর : আপনারা জেনে থাকবেন যে অনেকেই ব্লগার থেকে অনেক টাকা ইনকাম করে থাকে । কিন্তু আপনি যদি ব্লগার সম্পর্কে এখনও না জেনে থাকেন তাহলে এই লেখাগুলো পড়ে আপনি তাড়াতাড়ি জেনে নিন ব্লগার সম্পর্কে । যার মাধ্যমে ব্লগিং করে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা ইনকাম করে ব্লগিংয়ে আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারেন তো চলুন ব্লগার একাউন্ট কিভাবে খুলবো ।
একজন ব্লগার হলেন এমন একজন যিনি নিয়মিত একটি ব্লগে তার কন্টেন্ট বা আর্টিকেল তৈরি করেন এবং প্রকাশ করেন ।
একটি ব্লগ হল এক ধরনের ওয়েবসাইট যেখানে বিষয়বস্তু বিপরীত পর্যায়ক্রমিক ভাবে উপাস্থাপন করা হয় , সাম্প্রতিক তম পোষ্টগুলি প্রথমে প্রদর্শিত হয় । ব্লগাররা প্রায়ই একটি নির্দিষ্ট বিষয় বা বিভিন্ন বিষয়ে তাদের চিন্তাভাবনা মতামত দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা শেয়ার করে । তার মধ্যে পাঠ্য ,ছবি , ভিডিও এবং অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া উপাদান থাকতে পারে । শুধু লেখা লেখি নয় ছবি মতামত ও চিন্তাভাবনা ও যুক্ত থাকতে পারে ।
একটি ব্লগার অ্যাকাউন্ট খোলা একটি হাওয়া এবং এটি ইন্টারনেটের বিশাল ক্যানভাসে আপনার সৃজনশীলতা এবং চিন্তাভাবনা প্রকাশ করার একটি প্রবেশদ্ধারা আপনি একজন পাকা লেখক একজন উদীয়মান শিল্পী অথবা শেয়ার করার আবেগের কেউ হোন না কেন , একটি ব্লগার অ্যাকাউন্ট তৈরি করা আপনার অনলাইন উপস্থিতি প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপ ।
ব্লগার ওয়েব্সাইট থেকেই প্রথমত ব্লগার এর ব্যক্তিগত ওয়েব্সাইটের সূচনা হয় আর সেজন্য আপনাকে যে বিষয়গুলো কে লক্ষ্য রেখে সামনে আগাতে হবে যেগুলো হচ্ছে " ব্লগার" এর জন্য গুগলে ব্লগার লিখে সার্চ করলে আপনাকে প্লাটফর্মের হোমপেজ নিয়ে যাবে সেখানে একবার আপনি একটি বিশিষ্ট " সাইন ইন" বোতাম লক্ষ্য করবেন যদি আপনার ইতিমধ্যে একটি Google অ্যাকাউন্ট থাকে । আর যদি না থাকে একটি " আপনার ব্লগ তৈরি করুন " আপনি যদি ইতিমধ্যে একটি গুগল অ্যাকাউন্ট মালিক হন তাহলে আপনার সেই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সাইন ইন করুন যদি না হয় আপনার ব্লগ তৈরি করুন লিঙ্কে ক্লিক করুন এবং একটি গুগল অ্যাকাউন্ট সেট আপ করার জন্য ধারাবাহিক কার্যক্সম অনুসরন করন । এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ কারন ব্লগার গুগল এর সাথে একত্রিত হয়েছে এটিকে একটি নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা তৈরি সক্ষম হবে।
নতুন ব্লগ তৈরি করুন বোতামে কিল্ক করুন । আপনাকে আপনার ব্লগের জন্য একটি শিরোনাম বা আপনার ওয়েসাইটের নাম এবং একটি অনন্য ডোমেন নাম লিখতে বলা হবে । এটি সেই ওয়েব ঠিকানা যেখানে আপনার ব্লগ থাকবে তাই এটা বেছে নিতে পারেন সহজে। আপনার বিষয়বস্ত প্রতিফলত করে এবং আপনার দর্শকদের সাথে অনুপ্রানিত করে এমন একটি নাম নিয়ে চিন্তাভাবনা করার জন্য সময় নিন ব্লগার আপনার ব্লগের ভিজ্যুয়াল নান্দনিকতা সংঙ্গায়িত করে বিভিন্ন ধরনের টেমপ্লেট অফার করে। পরিস্কার এবং ন্যূনতম থেকে প্রানবন্ত এবং গতিশীলতা বা সম্পূর্ণ এসইও যুক্ত থিম বা টেমপ্লেট আপনার শৈলী এবং বিষয়বস্তু সাথে সারিবদ্ধ একটি টেমপ্লেট বেছে নিন । এটি পরবর্তী কাস্টমাইজ করতে পারেন
ভিত্তি স্থাপনের সাথে , এটি উত্তেজনা পূর্ন অংশে ডুব দেওয়ার সময় - সামগ্রী তৈরি করা । "নতুন পোষ্ট" বোতামে ক্লিক করুন , এবং আপনাকে ব্লগ সম্পাদককে প্রবেশ করানো হবে । এখানে আপনি ছবি, পাঠ্য ,ভিডিও যোগ করে প্রকাশ করতে পারেন । লেখা উন্নত করতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে টাইটেল রিসার্চ করতে হবে এবং টাইটেল রিসার্চ করে একটা এসইও কিওয়ার্ড টাইটেল দিতে হবে এছাড়া পোস্টের কাস্টম লিঙ্ক তৈরি এবং সেই পোস্টটি কোন ক্যাটাগরির সেখানে লেভেল দেওয়া থেকে শুরু করে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে । এটিকে ব্যক্তিগত করে আপনার ব্লগটিকে আলাদা করে তুলনা ব্লগার কাষ্টমাইজেশন বিকল্পের একটি পরিসিমা প্রদান করে । লেআউট এবং রঙের স্কিম পরিবর্তন করা থেকে শুরু করে গ্যাজেট এবং উইজেট যোগ করা পর্যন্ত আপনার ব্লগকে আপনার ব্যক্তিত্বের সত্যিকারের প্রতিফলন করার জন্য আপনার কাছে যে অপশনগুলো রয়েছে সেগুলো কে কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার মনের মত করে সেই থিম এবং টেমপ্লেট কে বা আপনার ওয়েব সাইটকে কাষ্টমাইজেশন করতে পারেন এতে আপনার পছন্দের কালার বা ছবি ব্যবহার করতে পারেন ।
বিশ্বের কাছে আপনার লেখাটা বা আর্টিকেল উন্মোচন করার আগে আপনার পোস্টটি আপনার দর্শকদের কাছে কীভাবে প্রদর্শিত হবে তা দেখতে পূর্বরূপ বৈশিষ্ট্যটির সুবিধা নেন অথবা প্রিভিউ অপশন থেকে আপনার ব্লগ বা আর্টিকেল দেখতে পারেন ঠিক থাকলে লেখাটা প্রকাশ করুন । এখন আপনার লেখাটা ইন্টারনেট এর মাধ্যমে প্রকাশ হয়ে গেছে ।
ব্লগার শুধু একটা প্লাটফর্ম নয় ; এটি একটি সম্প্রদায় । সহ ব্লগার দের সাথে জড়িত থাকুন তাদের লেখা শেয়ার করুন এবং ভালো মন্তব্য করুন এতে অভিজ্ঞতা বাড়ায় ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করে । সবাই মিলে গ্রুপ করে কাজ করলে সফলতা নিশ্চিত।
আপনার ব্লগারের সাথে আরও পরিচিত হওয়ার সাথে সাথে আপনার ব্লগের কার্যকারিতা ট্র্যাক করতে অ্যানালিটিক্স ব্লগের দৃশ্যমানতা বাড়ানোর জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর মতো উন্নত বৈশিষ্ট্যগুলো অন্বেষণ করন এবং গুগল সার্চ কনসোল এর সাথে যুক্ত করে আপনার ওয়েব্সাইট কে সম্পন্ন ভাবে ট্র্যাক করতে পারেন যার মাধ্যমে পাঠকরা কি দেখতে আগ্রহী সেই অনুযায়ী ব্লগ তৈরি করলে বেশি রিচ পাওয়া সম্ভব ।
ব্লগিং জগতে ধারাবাহিকতা হল চাবিকাঠি । নিয়মিত আপডেট আপনার শ্রোতাদের নিযুক্ত রাখে এবং ব্লগের জৈব বৃদ্ধিতে অবদান রাখে ।
একটি ব্লগার অ্যাকাউন্ট খোলা একটি সহজবোধ্য প্রক্রিয়া যা আপনার ডিজিটাল যাত্রার মান নির্নয় করবে । এটি একটি শুধু প্লাটফর্ম নয় এটি একটি ক্যানভাস আপনার সৃজনশীলতার স্ট্রোকের জন্য অপেক্ষা করছে। তাই প্রথম পদক্ষেপ নিন এবং আপনার চিন্তাধারা ব্লগের মাধ্যমে বিশাল পৃথীবিতে জুড়ে অনুপ্রাণিত হতে দিন ।
✴️ ব্লগার এর ক্ষেত্রে কি কি থাকে ?
উত্তর : ব্লগাররা লাইফস্টাইল, ফ্যাশন ,ভ্রমন ,প্রযুক্তি, অভিভাবকত্ব এবং আরো অনেক কিছুর মতো বিস্তৃত ধরন বা ক্যাটাগরি এবং আগ্রহগুলি কভার করে । ব্যক্তিগত গল্প, তথ্যমূলক নিবন্ধ প্রদান, টিপস এবং পরামর্শ বা দর্শদের সাথে আলোচনা করতে পারে ।
বছরের পব বছর ধরে ব্লগিং বিকশিত হয়েছে এবং ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগার এবং মিডিয়ামের মতো প্লাটফর্ম গুলি ব্যক্তিদের জন্য তাদের ব্লগ শুরু করা এবং বজায় রাখা সহজ করে তুলেছে । সফল ব্লগারদের প্রায়শই একটি অনন্য ভয়েস একটি ধারাবাহিক পোস্টিং সময়সূচি এবং তাদের লক্ষ্য দর্শকদের গভীর উপলব্ধি থাকে । তারা তাদের ব্লগ পোষ্ট প্রচার করতে এবং তাদের পাঠকদের সাথে যোগাযোগ করতে সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে পারে ।
✴️ ব্লগিং করে আয়ের উপায় ?
উত্তর : ব্লগকে বিভিন্ন উপায়ে মনিটাইজ করা যেতে পারে । আপনার ব্লগ থেকে টাকা উপার্জনের জন্য অনলাইন উপার্জন সংক্রান্ত বিভিন্ন মডেল এবং সেরা পদ্ধতি হল - মনিটাইজেশন
মনিটাইজেশন : সহজভাবে বলতে গেলে মনিটাইজেশনের অর্থ হল আপনার সাইট থেকে টাকা উপার্জন করার একটি প্রসেস । আপনি নিজের ব্লগ থেকে আয় করলে সেটিকে মনিটাইজেশন বলা হয় । আপনার ব্লগ থেকে টাকা ইনকাম শুরু করার জন্য এখানে বেশ কিছু অনলাইন ব্যাসায়িক ধারনা রয়েছে - বিজ্ঞাপন
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
- সরাসরি বা ডিজিটাল প্লাটফর্ম
- প্রোডাক্টের অফার
- সাবস্ত্রিপশন
- কোচিং
- লাইভ ভিডিও কোচিং এবং
- বাংলায় ব্লগিং
এগুলোর মাধ্যমে সইজেই আমরা অর্থ উপার্জন কৌশল বের করে নিতে পারি ।
3. বাংলাদেশে ব্লগিং প্রায় ২০০ টির অধিক ব্লগের একটি সম্প্রদায় রয়েছে । ২০০০ - র দশকের মাঝামাঝি থেকেই কিছু ব্যক্তিগত ব্লগ সংক্রিয় ছিল , কিন্তু বর্তমানে স্বনির্ভরতা, নগর, এলাকা ,বিজ্ঞান ,আইন - কানুন, ডিজিটাল বিপনন, উদ্যোক্তা ও ফ্যাশন সাময়িকী সম্পর্কিত ব্লগ ও দেখতে পাওয়া যায় ।
বাংলাদেশের উল্ল্যেখযোগ্য ব্লগার : অভিজিৎ রায়, আসিফ মহিউদ্দীন, আহমেদুর রশীদ চৌধুরী, আহমেদ রাজীব হায়দার, রাফিদা আহমেদ বন্যা, সানি সানওয়ার ,শহিদুল আলম ।
4. যেমন ব্লগিং ভালো দিক আছে তেমনি খারাপ দিক ও আছে : এর জন্য প্রচুর পরিশ্রম করতে হয় । প্রত্যেক দিন নতুন নতুন আইডিয়া খুজে কাজ করতে হয় ভালো কন্টেন্ট না হলে রিচ বারেনা । নিম্ন মানের লেখকদের জন্য বাজার নষ্ট হচ্ছে তাদের লেখা দেখে মনে হয় কপি পেস্ট করা । তাই ভালো খারাপ দুটোই রয়েছে এটার মধ্যে।
তবে ব্লগিং এর মাধ্যমে একটু ভালো ভাবে কাজ করে সাবলম্বী নিজের প্রতিভা ও অর্থ উপার্জন করে জীবনযাত্রার মান ও বেকারত্ব কমাতে পারি ।

Comments
Post a Comment